শনিবার-১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-৯ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

মানিকছড়িতে বিনা ধান-১৬ মাঠ দিবস ও ফসল কাটা অনুষ্ঠান

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনিস্টিটিউট (বিনা) কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও স্বল্পকালীন আমন ধানের জাত বিনা ধান-১৬ মাঠ দিবস ও ফসল কর্তন অনুষ্ঠান-২০ অনুষ্টিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টায় উপজেলার ভোলাছোলা বিলে উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুমন গুপ্ত’র সঞ্চলনায় এবং কৃষি কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম মজুমদার’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিনা ধান-১৬ মাঠ দিবস ও ফসল কর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, খাগড়াছড়ি জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. মর্তুজা আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনিস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্রের খাগড়াছড়ি’র সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ.বি.এম শফিউল আলম, প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান ও সাংবাদিক মো. ইসমাইল হোসেন ও কৃষক প্রতিনিধি কংচাইরী মারমা প্রমূখ।

কর্মসূচীর শুরুতে অতিথি’রা বিনা ধান-১৬ এর ফসল কাটেন। এ সময় তারা বিনার উৎপাদিত ধান দেখে সন্তুোষ প্রকাশ করেন।

পরে ভোলাছোলা বাজারে সমবেত কৃষকদের নিয়ে অনুষ্টিত হয় মাঠ দিবসের অনুষ্ঠান। সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার নাথ। পরে বিনা’র উপকেন্দ্র খাগড়াছড়ি’র সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ.বি.এম শফিউল আলম ও উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. মর্তুজা আলী কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, কৃষি প্রধান বাংলাদেশের প্রাণ হলো কৃষক। কৃষক বাঁচলে, দেশ বাঁজবে আর খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ হবে জাতি। তাই কৃষক ভাই’রা বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনিস্টিটিউট (বিনা) কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও স্বল্পকালীন আমন ধানের জাত বিনাধান-১৬, বিনাধান-১৯ এবং বিনা সরিষা-৯ সহ নতুন নতুন উদ্ভাবিত বীজ রোপন করে বেশ লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে। হেক্টর প্রতি সাড়ে ৫ টন ধান উৎপাদন কেবল বিনা’র পক্ষেই সম্ভব। অন্য কোন জাতের ধানে অল্প সময়ে এটা সম্ভব।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on telegram
Telegram
Share on skype
Skype