মঙ্গলবার-১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

প্রথম বিদেশ সফর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আগামী সপ্তাহে জেনেভায় ন্যাটোর সম্মেলনে অংশ নেবেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরে এটাই তার প্রথম বিদেশ সফর। তার পূর্বে সোমবার রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাটোর প্রধান জেন্স স্টেলটেনবার্গের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে বৈঠক করলেন বাইডেন।

হোয়াইট হাউসের সামনে দাঁড়িয়ে স্টেলটেনবার্গ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, একাধিক বিষয় নিয়ে দুইজনের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। ট্রান্স আটলান্টিক কূটনীতি নিয়ে দীর্ঘ কথা হয়েছে। আলোচনা হয়েছে চীন এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও। পরে এ বিষয়ে একটি টুইটও করেন স্টেলটেনবার্গ।

ট্রান্স আটলান্টিক নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনকে কোণঠাসা করতে অন্য দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির চেষ্টাও করেছিলেন। বাইডেনও কি সেই পথেই হাঁটবেন? কূটনৈতিক মহলে এ প্রশ্ন ঘুরছে। চীন এবং রাশিয়ার সঙ্গে বাইডেন কী ভাবে সম্পর্ক রক্ষা করবেন, সে দিকেও তাকিয়ে সকলে।
ন্যাটো প্রধান জানিয়েছেন, ভবিষ্যতের কথা ভেবে ন্যাটোকে আরো শক্তিশালী করার কথা হয়েছে বাইডেনের সঙ্গে। প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে ন্যাটোর কোনো দেশই এখন একক ভাবে শক্তিশালী নয়, সমষ্টিগতভাবে শক্তিশালী। সেই শক্তি আরো বৃদ্ধি করা দরকার।

রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক

রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে মধ্যপন্থা নেওয়া হবে বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে ন্যাটোর বৈঠকের ফাঁকেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে জো বাইডেনের বৈঠক হতে পারে। আমেরিকা আপাতত রাশিয়ার সঙ্গে নরম-গরম সম্পর্ক রক্ষা করতে চাইছে। অর্থাৎ একদিকে আলোচনার রাস্তা খোলা রাখা, অন্যদিকে রাশিয়ার কোনো কাজ অপছন্দ হলে তার সমালোচনা করা। কিন্তু রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক একেবারে খারাপ করতে চাইছে না আমেরিকা।

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক

আমেরিকা-চীনের সম্পর্ক এখন তলানিতে। চীনের হংকং এবং তাইওয়ান নীতি আর উইঘুর মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রকাশ্য সমালোচনা করছে আমেরিকা। কিন্তু চীনের সঙ্গেও আলোচনার রাস্তা খোলা রাখা হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ন্যাটো প্রধান বলেছেন, ”চীনের সঙ্গে ভাবনার সঙ্গে আমাদের ভাবনা খাপ খায় না।” কিন্তু তাই বলে চীনকে আলাদা রাখা যাবে না। কারণ, বিশ্বশক্তি হিসেবে চীন অনেকটা উঠে এসেছে। চীনের সামরিক বাজেট পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম। চীনের নৌবহর সব চেয়ে বড়। চীন গোটা পৃথিবীতে আগ্রাসী বাণিজ্যের পথ নিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চীনকে একেবারে দূরে ঠেলে রাখলে চলবে না।

 

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on telegram
Telegram
Share on skype
Skype