বৃহস্পতিবার-১৮ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ-৫ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ-৯ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

আইপিএলে মুস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিং

লেইট কাটার বোলার মোস্তাফিজুর রহমান।

দুর্দান্ত বোলিং করেছেন মুস্তাফিজুর রহমান আইপিএলের চলতি আসরে নিজের নতুন দল রাজস্থান রয়্যালসের জার্সিতে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে।

দিল্লির ব্যাটসম্যান মার্কোস স্টনিসকে কী বিভ্রান্তিতে-ই না ফেললেন ‘কাটার মাস্টার’। ফুলার লেন্থ বল, স্কিড করলো সঙ্গে শার্প টার্ণ। বল গেল উইকেটের পেছনে।

ধারাভাষ্যে থাকা মাইকেল স্লেটার রিপ্লে দেখে বললেন, ‘কোনো পেসার নাকি বাঁহাতি মুরালিধরন বল করলো।’ বলের গ্রিপ, শেষ মুহূর্তে ঘুরিয়ে দেওয়া সবকিছু দেখে বিস্ময় ছড়াতে বাধ্য, স্পিনার বল করছিল নাকি পেসার? মুস্তাফিজের কাটার বলে কথা।

রাজস্থানের এ পেসার বৃহস্পতিবার নিজের প্রথম ওভারেই পেয়ে যান সাফল্য। ওয়াংখেড়ের উইকেট ছিল মুস্তাফিজের জন্য আদর্শ। একটু ধীর গতির উইকেট। পেসারদের জন্য সহায়ক। বাড়তি পেসে কাজ হবে না জেনে শুরু থেকেই গতি কমিয়ে বোলিং করছিলেন মুস্তাফিজ।

প্রথম বলটা ১২৮ কি.মি.। দিল্লির অধিনায়ক পান্ত ১ রান নিয়ে প্রান্ত বদল করলেন। ব্যাটিংয়ে নতুন ব্যাটসম্যান স্টনিস। শুরুতে একটু জোর দিয়ে করলেন। ১৩৩ কি.মির বল দেখেশুনে ড্রাইভ করলেন। পরের বলটাও একই লেন্থের, একই গতির। দেখেশুনে খেলেছিলেন রান পাননি।

চতুর্থ বলটি ছিল বিস্ময়কর। ১১৭ কি.মির বলে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যান বোকা বনে যান। পরের বলে মুস্তাফিজ পেয়ে যান সাফল্য। এবার ১১৫ কি.মির বল।

স্ট্যাম্পের উপরের বল খেলতেই হবে। ডানহাতি ব্যাটসম্যানের মাঝব্যাটে লেগে বল যায় শর্ট কভারে। বাটলার সেখানে দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে মুস্তাফিজের পকেট ভারী করেন।

বোলিংয়ের ধারাবাহিকতা মুস্তাফিজ ধরে রাখেন পরের তিন ওভারে। সব মিলিয়ে ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট।

শেষ দিকে তার আরেকটি স্লোয়ারে বোল্ড হন টম কুরান এবং তার স্পেলের শেষ বলে দুই রান নিতে গিয়ে রান আউট হন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। দিল্লি নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান সংগ্রহ করে।

দুর্দান্ত বোলিং করেছেন মুস্তাফিজুর রহমান আইপিএলের চলতি আসরে নিজের নতুন দল রাজস্থান রয়্যালসের জার্সিতে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে।

দিল্লির ব্যাটসম্যান মার্কোস স্টনিসকে কী বিভ্রান্তিতে-ই না ফেললেন ‘কাটার মাস্টার’। ফুলার লেন্থ বল, স্কিড করলো সঙ্গে শার্প টার্ণ। বল গেল উইকেটের পেছনে।

ধারাভাষ্যে থাকা মাইকেল স্লেটার রিপ্লে দেখে বললেন, ‘কোনো পেসার নাকি বাঁহাতি মুরালিধরন বল করলো।’

বলের গ্রিপ, শেষ মুহূর্তে ঘুরিয়ে দেওয়া সবকিছু দেখে বিস্ময় ছড়াতে বাধ্য, স্পিনার বল করছিল নাকি পেসার? মুস্তাফিজের কাটার বলে কথা।

রাজস্থানের এ পেসার বৃহস্পতিবার নিজের প্রথম ওভারেই পেয়ে যান সাফল্য। ওয়াংখেড়ের উইকেট ছিল মুস্তাফিজের জন্য আদর্শ।

একটু ধীর গতির উইকেট। পেসারদের জন্য সহায়ক। বাড়তি পেসে কাজ হবে না জেনে শুরু থেকেই গতি কমিয়ে বোলিং করছিলেন মুস্তাফিজ।

প্রথম বলটা ১২৮ কি.মি.। দিল্লির অধিনায়ক পান্ত ১ রান নিয়ে প্রান্ত বদল করলেন। ব্যাটিংয়ে নতুন ব্যাটসম্যান স্টনিস। শুরুতে একটু জোর দিয়ে করলেন।

১৩৩ কি.মির বল দেখেশুনে ড্রাইভ করলেন। পরের বলটাও একই লেন্থের, একই গতির। দেখেশুনে খেলেছিলেন রান পাননি।

চতুর্থ বলটি ছিল বিস্ময়কর। ১১৭ কি.মির বলে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যান বোকা বনে যান। পরের বলে মুস্তাফিজ পেয়ে যান সাফল্য। এবার ১১৫ কি.মির বল।

স্ট্যাম্পের উপরের বল খেলতেই হবে। ডানহাতি ব্যাটসম্যানের মাঝব্যাটে লেগে বল যায় শর্ট কভারে। বাটলার সেখানে দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে মুস্তাফিজের পকেট ভারী করেন।

বোলিংয়ের ধারাবাহিকতা মুস্তাফিজ ধরে রাখেন পরের তিন ওভারে। সব মিলিয়ে ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট।

শেষ দিকে তার আরেকটি স্লোয়ারে বোল্ড হন টম কুরান এবং তার স্পেলের শেষ বলে দুই রান নিতে গিয়ে রান আউট হন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। দিল্লি নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান সংগ্রহ করে।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on telegram
Telegram
Share on skype
Skype