
ইতিহাস ৭১ নিউজ ডেস্ক : চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী ও মিরসরাইয়ে রাত ৮টার পর দোকান খোলা রাখায় ১২ ও ৯ দোকানদারকে জরিমানা করেছে বোয়ালখালী ও মিরসরাইয়ের উপজেলা প্রশাসন।
গতকাল ৯ আগস্ট (মঙ্গলবার) রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বোয়ালখালীতে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ মামুন। অভিযানে মোট ২৩ হাজার ৫‘শ টাকা জরিমানা করা হয়।
ইউএনও মোহাম্মদ মামুন বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী রাত ৮টার মধ্যে সব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ নিশ্চিত করতে এ অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে উপজেলা সদরে একটি, গোমদণ্ডী ফুলতলায় দুটি, শাকপুরা চৌমুহনীতে তিনটি,
পেতন শাহ্ আউলিয়ার মাজার এলাকায় পাঁচটি ও পূর্ব কালুরঘাট এলাকার একটি দোকান সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে খোলা রাখায় জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে সবাইকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।
এদিকে গ্রামের মিরসরাইয়ে রাত ৮টার পর দোকান খোলা রাখায় ৯ ব্যবসায়ীকে ২ হাজার ৬‘শ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
৯ আগস্ট (মঙ্গলবার) রাত সাড়ে ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বারইয়ারহাট পৌর বাজার, চিনকী আস্তানা ও বিএসআরএম গেট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও মিরসরাইয়ের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিনহাজুর রহমান।
অভিযানে বারইয়ারহাট জামালপুর মার্কেটের অলংকার সুইটস অ্যান্ড ডিপার্টমেন্টাল স্টোরকে ৫‘শ টাকা, বারইয়ারহাট মসজিদ মার্কেটের মনছুর স্টোরকে ৫‘শ টাকা, তানিয়া স্টোরকে ৩‘শ টাকা, চিনকী আস্তানা এলাকার নাদিয়া স্টোরকে ৩‘শ টাকা, কাউছার স্টোরকে ১‘শ টাকা, ভাই ভাই স্টোরকে ৩‘শ টাকা, আবার খাবো হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে ২‘শ টাকা, বিএসআরএম গেট এলাকায় ভূঁইয়া মার্কেটের রাজু হাডওয়্যার অ্যান্ড ভ্যারাইটি স্টোরকে ৩‘শ টাকা ও কর্মকার সুজ অ্যান্ড ভ্যারাইটিজকে ১‘শ টাকা জরিমানা করা হয়।
মিরসরাইয়ে রাত ৮টার পর দোকান খোলা রাখায় ৯ জনকে জরিমানা। এছাড়া কয়েকটি খাবার হোটেল, ওমেরা এলপি গ্যাস ও সুফিয়া রোড় গুলিস্তান ফিলিং স্টেশনকে আলোক সজ্জা না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ইউএনও মিনহাজুর রহমান বলেন, আমরা প্রথম কয়েকদিন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছি। কোনো জরিমানা করিনি। আজ থেকে আমরা জরিমানা শুরু করেছি তাও সর্বনিম্ন। আরও কয়েকদিন এভাবে চলবে। এরপর যদি মানুষ সচেতন না হয় তাহলে আমরা বড় ধরনের জরিমানা করবো।